বাবার নিষেধ, তাই করবেন না বিয়ে

3090
বাবার নিষেধ, তাই করবেন না বিয়ে

বন্ধুবান্ধব সব বিয়ে–থা করে ফেলছেন। অনেকেই পরবর্তী প্রজন্মের দেখাও পেয়ে যাচ্ছেন। এমন অবস্থায় বিয়ের কথা ভাবাটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে এশিয়ার যেকোনো যুবক-যুবতীর ক্ষেত্রে তো আরও বেশি। বিবাহযোগ্য পাত্র–পাত্রীর চেয়ে তাঁদের বাবা–মায়ের আগ্রহটাই বেশি থাকে। তবে সন হিয়ুং-মিনের ক্ষেত্রে উল্টোটাই ঘটছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ফরোয়ার্ডকে বিয়ে করতে মানা করেছেন তাঁর বাবা।

দক্ষিণ কোরিয়ার সেরা তারকা বর্তমানে খেলেন টটেনহাম হটস্পারে। খেলা বোঝার ক্ষমতা ও ম্যাচের গতি পাল্টে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কদিন আগে লিওনেল মেসির সঙ্গে সনের তুলনা করেছিলেন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। নিজের ক্লাবের খেলোয়াড়ের প্রতি কোচের পক্ষপাতিত্ব থাকতেই পারে, তবে এই ফরোয়ার্ডের দক্ষতা ও নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না কেউই। দলকে কদিন আগেই এশিয়ান গেমসে সোনা এনে দিয়েছেন। এ অর্জন দিয়েই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সামরিক বাহিনীতে আবশ্যিক দুই বছরের দায়িত্ব পালন থেকেও মুক্তি মিলেছে। ক্লাব ক্যারিয়ারে ট্রফি ক্যাবিনেটে কিছু যোগ করতে না পারলেও সময় আছে এখনো। মাত্র ২৬ বছর বয়স সনের। ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত যে এখনো বাকি।

বয়সটা ২৬ বলেই তাঁর বিয়েতে বাধা দিচ্ছেন বাবা। আন্তর্জাতিক তারকাদের অনেকেরই এ বয়সে দু–তিনটি বাচ্চা থাকে। অনেকেই বিয়ে করেন, অনেকেই সঙ্গিনীর সঙ্গে একসঙ্গে থেকেই সন্তুষ্ট থাকেন। তবে সনের ক্ষেত্রে ওসব পরের ব্যাপার। কারণ? ফুটবলই তাঁর প্রথম ভালোবাসা। আর ক্যারিয়ার লম্বা করাটাই মূল লক্ষ্য। দ্য গার্ডিয়ানের সঙ্গে কথোপকথনেই সন জানিয়েছেন অবসর নেওয়ার আগে তাঁকে বিয়ে করতে মানা করেছেন বাবা। যখন ফুটবল ছেড়ে দেবেন, তখন যেন এসব নিয়ে ভাবেন, ’আমার বাবা বলেছেন এটা এবং আমি তা সমর্থন করি।’

সন কেন সেটা মেনে নিয়েছেন, সেটাও জেনে নেওয়া যাক। ’যখন বিয়ে করবেন, সবার আগে গুরুত্ব পাবে আপনার পরিবার। অর্থাৎ স্ত্রী, সন্তান এবং তারপর ফুটবল। আমি নিশ্চিত করতে চাই, যখন আমি শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল খেলব, তখন ফুটবলই আমার কাছে যেন এক নম্বর থাকে। আপনি জানেন না কত দিন শীর্ষ পর্যায়ে ফুটবল খেলতে পারবেন। যখন অবসর নেব, তখন ৩৩ বা ৩৪ বছর বয়স হবে, পরিবারের সঙ্গে কাটানোর জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে তখনো।’