আর্চারের উচিত ছিল আহত স্মিথের পাশে দাঁড়ানো: শোয়েব আখতার

3090
আর্চারের উচিত ছিল আহত স্মিথের পাশে দাঁড়ানো: শোয়েব আখতার

বলের আঘাত পেয়ে ২০১৪ সালে না ফেরার দেশে চলে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা ক্রিকেটার ফিল হিউজেস। তার মতো অনেক ক্রিকেটারের এভাবে মৃত্যু হয়েছে। ফিল হিউজেসের সেই স্মৃতিই আবারও মনে করিয়ে দিলেন স্টিভ স্মিথ।

শনিবার লর্ডস টেস্টে ইংলিশ পেসার জফরা আর্চারের বাউন্সারে ঘাড়ে আঘাত পেয়ে দীর্ঘ সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন স্মিথ। অথচ তার এমন দুর্বিসহ অবস্থা দেখেও সান্তনা দিতে পাশে দাঁড়াননি বোলার আর্চার। তার এমন আচরণে রীতিমতো অবাক ক্রিকেট সমর্থক, বিশ্লেষক এবং সাবেক তারকারা।

পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার শোয়েব আখতার নিজের অফিসিয়াল টুইটারে লেখেন, ’বাউন্সার ক্রিকেট খেলার একটি অংশ। কিন্তু যখনই কোনও বোলারের আঘাতে ব্যাটসম্যান উইকেটে পড়ে যান, তখন সৌজন্যতার খাতিরেও বোলারের উচিত ব্যাটসম্যানের পাশে গিয়ে দাঁড়ানো। স্মিথ আঘাত পাওয়ার পর জফরা ব্যাটসম্যানের কাছে না গিয়ে দূরে চলে যায়। তার এমন আচরণ ক্রিকেটিয় মনে হয়নি। এমন পরিস্থিতে আমি সবসময় ব্যাটসম্যানের কাছে সবার আগে দৌড়ে যেতাম।’

ইংল্যান্ডের লর্ডসে চলমান টেস্টের চতুর্থ দিনে শনিবার সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন স্মিথ। কিন্তু ইংল্যান্ডের তরুণ পেসার জোফরা আর্চারের বাউন্সার আঘাত হানে স্টিভ স্মিথের ঘাড়ে। বিশ্বকাপের পর ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে ঘণ্টায় ১৪৮.৭ কিলোমিটার গতিতে বল ছুড়েন জোফরা। তার বিষাক্ত বাউন্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান স্মিথ। তখন ৮০ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি।

দলের ফিজিও মাঠে এসে স্মিথের শুশ্রুষা করেন। এরপর স্মিথ ফিজিওর কাঁধে ভর দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন। আহত হয়েও মাত্র ৪৫ মিনিট পর ফের ব্যাটিংয়ে নেমে আরও ১২ রান যোগ করেন স্মিথ। মাত্র আট রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন তিনি। ক্রিস ওকসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৯২ রানে আউট হন অস্ট্রেলিয়ান সাবেক এ অধিনায়ক।